পিপলস ইন্স্যুরেন্সের ঋণমান ‘ট্রিপল এ’

বীমা খাতের কোম্পানি পিপলস ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’।

বীমা খাতের কোম্পানি পিপলস ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত প্রথম অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং প্রকাশের দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (ক্রিসল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) পিপলস ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৪ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৪৪ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পিপলস ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৫৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৮১ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে পিপলস ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৫৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৬১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৯৭ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে পিপলস ইন্স্যুরেন্স। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৬১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৫৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৪৪ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে পিপলস ইন্স্যুরেন্স। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরে ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরে ৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

১৯৯০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পিপলস ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৯৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৬২ লাখ। এর ৩২ দশমিক ৪৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৫ দশমিক ১৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫২ দশমিক ৩৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও